শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০

করোনাভাইরাস: হাসপাতালের ১১ হাজার শয্যাই খালি





ডেস্ক রিপোর্ট, ২৫ জুলাই, ২০২০: মহামারীর মধ্যে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোর ১৫ হাজার ৬৬৩টি শয্যার মধ্যে ১১ হাজারের বেশি বিছানাই খালি পড়ে আছে।
সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শুক্রবারের বুলেটিন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের ১৫ হাজার ১৩১টি সাধারণ শয্যার মধ্যে ৪ হাজার ২৭৯টিতে রোগী ভর্তি আছে। আর ১০ হাজার ৮৫২টি সাধারণ শয্যা খালি আছে।
অন্যদিকে ৫৩২টি আইসিইউ শয্যার মধ্যে ৩০৬টিতে রোগী ভর্তি থাকলেও ২২৬টি আইসিইউ শয্যা খালি রয়েছে। সাধারণ ও আইসিইউ মিলে ১১ হাজার ৭৮টি শয্যা খালি রয়েছে।
অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা জানান, ঢাকা নগরীর হাসপাতালগুলোর সাধারণ শয্যায় ২ হাজার ১০৩ জন রোগী ভর্তি আছেন। আর আইসিইউতে আছেন ১৮৪ জন রোগী।
আর চট্টগ্রামে নগরীতে সাধারণ শয্যায় ২৮৮ জন এবং আইসিইউতে ২২ জন রোগী ভর্তি আছেন। এছাড়া দেশের অন্যান্য হাসপাতালে সাধারণ শয্যায় এক হাজার ৮৮৮ জন ও আইসিইউতে ১০০ জন রোগী ভর্তি আছেন।
নিয়মিত করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়তে থাকায় এই রোগের চিকিৎসায় সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল নির্ধারণের পাশাপাশি দ্রুততার সঙ্গেও কিছু চিকিৎসা কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়। তার একটি ঢাকার কুড়িলে বসুন্ধরা কোভিড-১৯ হাসপাতাল।
বিশেষ উদ্যোগে তৈরি করা এই হাসপাতালে দুই হাজার ১৩টি শয্যা থাকলেও সেখানে রোগী ভর্তি আছেন মাত্র ১৫ জন। এই হাসপাতালের এক হাজার ৯৯৮টি শয্যা খালি পড়ে আছে। হাসপাতালটিতে আইসিইউর ব্যবস্থা রাখা হয়নি।
অন্যদিকে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ৭৩৭টি শয্যা খালি আছে; এই হাসপাতালে সাধারণ ও আইসিইউ মিলে এক হাজার ২৭টি শয্যা রয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩২৬টি ও রাজধানীর ইমপালস হাসপাতালে ৩৬৮টি শয্যা খালি আছে। ইমপালস হাসপাতালের ৫৬টি আইসিইউ শয্যার মধ্যে ৪৯টি খালি রয়েছে।
এছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে হাসপাতাল ও মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে করোনাভাইরাসের কোনো রোগী ভর্তি নেই। এই দুটি হাসপাতালে ৪০টি সাধারণ শয্যা রয়েছে।
শুক্রবার নতুন করে দেশে করোনাভাইরাসে আরও ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৫৪৮ জন।
নতুন ৩৫ জনকে নিয়ে দেশে কোভিড-১৯ রোগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮৩৬ জন। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৬৫৮ জন।

করোনা: ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বব্যাপী সর্বোচ্চ আক্রান্তের নতুন রেকর্ড



ডেস্ক রিপোর্ট, ২৫ জুলাই, ২০২০: মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বব্যাপী গেল ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বব্যাপী ২ লাখ ৮৪ হাজার ১৯৬ জন আক্রান্ত হয়েছে।
এর আগে ১৮ জুলাই একদিনে আক্রান্ত হয়েছিল সর্বোচ্চ ২ লাখ ৫৯ হাজার ৮৪৮ জন। যা ছিল একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড। কিন্তু গেল ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বব্যাপী ২ লাখ ৮৪ হাজার ১৯৬ জন আক্রান্ত হওয়ার মাধ্যমে ভেঙে গেল সেই রেকর্ড।
গেল ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে ৯ হাজার ৭৫৩ জন। যদিও সেটা নতুন রেকর্ড নয়। গেল ৩০ এপ্রিল একদিনে বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিল ৯ হাজার ৭৯৭ জন। এখন পর্যন্ত এটা সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।
দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা এখনো সবচেয়ে বেশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকায়। যুক্তরাষ্ট্রে গেল ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ৬৯ হাজার ৪৪৩ জন। ব্রাজিলে গেল ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ৫৮ হাজার ৮০ জন। ভারতে ৪৮ হাজার ৮৯২ জন ও দক্ষিণ আফ্রিকায় ১৩ হাজার ৯৪৪ জন।
বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ১ কোটি ৫৯ লাখ ৩০ হাজার ৬৭১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছে ৬ লাখ ৪১ হাজার ৮৬৮ জন।

শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২০

চীনে আবারও করোনার হানা! নতুন করে আক্রান্ত ২২



ডেস্ক রিপোর্ট, ২৪ জুলাই, ২০২০: ফের চীনে করোনাভাইরাসের হানা! দেশটিতে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর আগের দিন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৪। বৃহস্পতিবার দেশটির স্বাস্থ্য কমিশন এ তথ্য জানিয়েছে।
ন্যাশনাল হেলথ কমিশন জানিয়েছে, নতুন সংক্রমণের শিকারদের মধ্যে ১৮ জন পশ্চিমের প্রদেশ শিনজিয়াংয়ের। এছাড়া এক জন রয়েছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ লিয়াওনিংয়ের দাইলান শহরের। অপর তিন জন বিদেশ থেকে আসা।
এ ব্যাপারে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দাইলানে করোনায় আক্রান্ত ৫৮ বছরের ওই ব্যক্তি একটি সামুদ্রিক খাবার প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। ওই প্রতিষ্ঠানের ফ্রোজেন খাবার, ওয়ার্কশপ, ক্যান্টিন ও অফিস ভবন থেকে সংগৃহীত নমুনায় করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
একই দিন চীনা কর্তৃপক্ষ ৩১ জন লক্ষণবিহীন করোনা আক্রান্তের তথ্য জানিয়েছে। এর আগের দিন এই সংখ্যা ছিল ২২। চীন অবশ্য লক্ষণবিহীন আক্রান্তদের করোনায় আক্রান্ত তালিকায় স্থান দেয় না।

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২০

যুক্তরাষ্ট্রে ৪০ লাখ ছাড়িয়েছে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা



ডেস্ক রিপোর্ট, ২৪ জুলাই, ২০২০: যুক্তরাষ্ট্রে ৪০ লাখ ছাড়িয়েছে করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা। এদিকে, টানা তিনদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় দৈনিক মৃতের সংখ্যা গড়ে এগারশো’র বেশি। 
চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৭টি রাজ্যে একদিনে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড হয়েছে। ভাইরাসটির সংক্রমণ ও মৃত্যুর এমন ঊর্ধ্বমুখী হারে ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা এবং টেক্সাসের মতো অঙ্গরাজ্যের হাসপাতালগুলো মারাত্মক সংকটে পড়েছে। রোগীদের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।
যুক্তরাষ্ট্রে মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ২১১ মৃত্যুর মধ্যে বৃহস্পতিবার মারা গেছে ১ হাজার ১৪ জন। মঙ্গলবারের ১ হাজার ১৪১ আর বুধবারের ১ হাজার ১৩৫ এর তুলনায় অবশ্য এই সংখ্যা কিছুটা কম। বৃহস্পতিবার অন্তত ৬০ হাজার নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার পর দেশটির মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ লাখ ছাড়ায়।
গতদিন টেক্সাসে ১৭৪, ফ্লোরিডায় ১৭৩, ক্যালিফোর্নিয়ায় ১৫২ এবং অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে ৮৯ জন মারা গেছেন। ফ্লোরিডায় এর আগে একদিনে এত মানুষ করোনায় মারা যায়নি। এছাড়া টেনেসি অঙ্গরাজ্যেও বৃহস্পতিবার ৩৭ জন মারা গেছে। আক্রান্তের সংখ্যায় এক সময়ে বিপর্যস্ত নিউইয়র্ককে ছাড়িয়েছে ফ্লোরিডা।

ঘর থেকেই বেশি ছড়াচ্ছে করোনা: গবেষণা



ডেস্ক রিপোর্ট, ২৪ জুলাই, ২০২০: বাইরে নয়, ঘর ও পরিজনদের থেকেই ছড়াচ্ছে করোনা! ফলে দিন দিন বাড়ছে রোগের দাপট। দক্ষিণ কোরিয়ার এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন ভয়ানক তথ্য! করোনায় আক্রান্ত ৫ হাজার ৭০৬ জনকে পরীক্ষা করে এই গবেষণার প্রতিবেদন দাঁড় করানো হয়েছে৷
দক্ষিণ কোরিয়ার এই গবেষণায় বলা হয়েছে, বাড়ির বাইরে গিয়ে নয়, বাড়ি থেকেই ছড়াচ্ছে করোনা৷ আত্মীয়-পরিজন থেকে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিই বেশি৷ পরিবারের লোকের সংস্পর্শেই এই রোগ ছড়াচ্ছে মারাত্মক হারে৷ করোনায় আক্রান্ত ৫ হাজার ৭০৬ জনকে নিয়ে এই গবেষণায় এমনটি দাবি করা হয়েছে৷ খবর রয়টার্সের
ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনে এই গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে৷ গত ১৬ জুলাই সামনে আসে রিপোর্টটি৷ গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, প্রতি ১০০ জনে ২ জন করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন বাড়ির বাইরে থেকে৷ তবে প্রতি ১০ জনে ১ জন বাড়ির ভেতর থেকেই এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন৷
গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, করোনার ক্ষেত্রে বয়সও একটা বড় ভূমিকা পালন করছে৷ বাড়িতে টিনএজ এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে কেউ করোনা সংক্রমণ হলে তার ভয় অনেক বেশি৷
দক্ষিণ কোরিয়ার সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের ডিরেক্টর জং ইউন কিয়ং জানিয়েছেন, বাড়ির ছোট ও বয়স্করা বাড়ির অন্যদের সংস্পর্শে বেশি আসেন৷ তাই তাদের থেকে এই রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি বেশি এবং ছোটদের মধ্যে এই রোগ উপসর্গহীন থাকে বেশি৷ তাই তাদের থেকেই অজান্তে এই রোগ বাড়ির অন্যদের মধ্যে ছড়াচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে গবেষণায়৷
http://bangla.amarhealth.com/spotlight/15692/

বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২০

বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত দেড় কোটি ছাড়াল!



ডেস্ক রিপোর্ট, ২৩ জুলাই, ২০২০: সারাবিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তর সংখ্যা দেড় কোটি ছাড়িয়েছে। ওয়ার্ল্ডওমিটারের পরিসংখ্যান বলছে, এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৫২ লাখ ৪৬ হাজার ৩৯৫ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।
অপরদিকে করোনায় প্রাণ হারিয়েছে ৬ লাখ ২২ হাজার ৯১৫ জন। ইতোমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছে ৯২ লাখ ১৮ হাজার ৬৯৩ জন।
গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে প্রথম করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। তবে করোনায় এখন পর্যন্ত আক্রান্ত ও মৃত্যুতে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সবগুলো অঙ্গরাজ্যেই হানা দিয়েছে করোনা।
যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ লাখ ৭২ হাজার ৮৯৫। এর মধ্যে মারা গেছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৭০৬ জন।
ইতোমধ্যেই করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছে ১৯ লাখ ১৬ হাজার ১২৪ জন। দেশটিতে বর্তমানে করোনার অ্যাক্টিভ কেস ২০ লাখ ১১ হাজার ৬৫। অপরদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে ১৬ হাজার ৭৩০ জন।
এদিকে, আক্রান্ত ও মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই রয়েছে ব্রাজিল। এছাড়া ভারত, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, পেরু, মেক্সিকো, চিলি, স্পেন এবং যুক্তরাজ্যে সংক্রমণ বাড়ছেই।

২০২১ সালের আগে করোনার টিকা প্রত্যাশা করবেন না: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা



ডেস্ক রিপোর্ট, ২৩ জুলাই, ২০২০: সম্প্রতি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তৈরি করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ধাপের পরীক্ষায় সাফল্যের পরে বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী ভাইরাসটি থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়ার একটি আশা জেগে উঠেছে৷ বিশ্বজুড়ে ভ্যাকসিন তৈরির এই প্রক্রিয়ায় খুশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও৷
তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে ২০২১ সালের আগে করোনার প্রথম ভ্যাকসিনের আশা করা উচিৎ হবে না। ভ্যাকসিন নিয়ে তাড়াহুড়ো করলে হিতে বিপরীত হতে পারে বলেও সতর্ক করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
বুধবার সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি বিষয়ক শীর্ষ বিশেষজ্ঞ মাইক রায়ান বলেন, আমরা ভ্যাকসিন তৈরিতে ভাল ভাবেই এগোচ্ছি৷ একাধিক ভ্যাকসিন এখন তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে রয়েছে৷ নিরাপত্তা ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর নিরিখে কোনওটিই এখনও অসফল হয়নি৷ এটা ভাল দিক৷ বাস্তব বিষয়টি হল, আগামী বছরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে ভ্যাকসিনের জন্য৷
তিনি জানান, ভ্যাকসিন তৈরি ও বণ্টনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ হতে হবে৷ কারণ এটা বিশ্ববাসীর ভালোর জন্য৷ মহামারি ধনী, গরিব ভেদাভেদ করে না৷