শুক্রবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৯

ইলেক্ট্রনিক সিগারেট নিষিদ্ধের চিন্তা সরকারের


স্বাস্থ্য ডেস্ক: ০৪ অক্টোবর’ ১৯: সরকার ইলেক্ট্রনিক সিগারেটসহ সব ধরনের ধুম্র উদ্গীরক তামাক পণ্যের উৎপাদন, আমদানি ও বিক্রি বন্ধ নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা সচিব শেখ ইউসুফ হারুন। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যে ই-সিগারেটের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে সাংবাদিকদের তিনি একথা জানান।
সচিব বলেন, ই-সিগারেটসহ নতুন ধরনের সব তামাক পণ্যের উৎপাদন, আমদানি ও বিক্রি যতো দ্রুত সম্ভব নিষিদ্ধ করতে হবে। শীর্ষ পর্যায়ের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে আমরা আলোচনা করব।
ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরসহ ৩০টির বেশি দেশে এসব তামাক নিষিদ্ধের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে লাগাতে হবে।
দেশে ১৫ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী ৩৫ শতাংশের বেশি মানুষ নানা রকম তামাক সেবন করে। তবে কি পরিমাণ মানুষ ই-সিগারেট পান করে তার সংখ্যা জানা যায় না। এর প্রভাব নিয়ে বলার মতো কোনো পরিসংখ্যানও নেই।
http://bangla.amarhealth.com/country_news/13961/

০৫ অক্টোবর’ ৭১: মুক্তিবাহিনী পাকসেনাদের আক্রমণ করে


ডেস্ক রিপোর্ট: ০৫ অক্টোবর’ ১৯: ০৫ অক্টোবর, ১৯৭১ সাল। এদিন কুমিল্লার উত্তরে মুক্তিবাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা আজনাপুর ও জামবাড়ি এলাকায় পাকসেনাদের কয়েকটি টহলদার দলকে আক্রমণ করে। এতে পাকবাহিনীর ১৫ জন সৈন্য নিহত ও ২০ জন আহত হয়। অপরদিকে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ও একজন আহত হন।সিলেটি মুক্তিবাহিনীর ২০ সদস্যের একটি মুক্তিযোদ্ধাদল কুমারসাইল গ্রামে এ্যামবুশ করে। পাকসেনাদের একটি দল এ্যামবুশের আওতায় এলে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের ওপর অতর্কিতে আক্রমণ চালায়।

 এই সংঘর্ষে ৪ জন পাকসেনা নিহত হয়।ঢাকা স্টেডিয়াম এলাকায় মুক্তিবাহিনীর গেরিলা দল পাকসেনাদের একটি জীপের ওপর আক্রমণ চালায়। এতে পাকবাহিনীর দু‘জন অফিসার নিহত ও জীপটি বিধ্বস্ত হয়।মুক্তিবাহিনী খুলনার পীরগাছায় পাকসেনাদের বিরুদ্ধে এক দুঃসাহসিক অভিযান চালায়। এই অভিযানে পাকবাহিনীর একজন জুনিয়র অফিসারসহ তিনজন সৈন্য নিহত হয়।২নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর বীর মুক্তিযোদ্ধারা নয়নপুরে পাকসেনাদের সাথে সম্মুখ যুদ্ধে লিপ্ত হয়। এই যুদ্ধে ৫ জন পাকসৈন্য নিহত হয়। মুক্তিবাহিনী সিলেটের সুনামগঞ্জ এবং সাচনার মধ্যেকার টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ধ্বংস করে পাকসেনাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

বাজার থেকে সরেনি নিষিদ্ধ রেনিটিডিন চলছে বিক্রি


স্বাস্থ্য ডেস্ক: ০৫ অক্টোবর’ ১৯: গ্যাস্ট্রিক-জনিত সমস্যার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে বহুল প্রচলিত ওষুধ রেনিটিডিনে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান পাওয়ায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে ওষুধটি। সেই অনুসারে গত ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশেও ওষুধটির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর। একইসাথে বাজার থেকে এই ওষুধ তুলে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় ওষুধ শিল্প সমিতি। তবুও এখনো বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ রেনিটিডিন।

খুচরা ওষুধ বিক্রেতাদের সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত কোনো কোম্পানি রেনিটিডিন ওষুধ ফিরিয়ে নিয়ে যায়নি। বরং আগের মতোই ওষুধটি বিক্রি হচ্ছে। তবে নতুন করে রেনিটিডিন ওষুধ দিচ্ছে না কোম্পানিগুলো।

শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ওষুধের দোকানগুলোতে এখনো বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ রেনিটিডিন। শুধু ট্যাবলেটই নয়, রেনিটিডিনের সিরাপ এমনকি ইনজেকশনও বেশ বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন খুচরা বিক্রেতারা।

খুচরা ওষুধ বিক্রেতারা আরো জানান, সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে তাদের কাছে কোনো ধরনের নির্দেশনা আসেনি। গণমাধ্যমে কিছু প্রতিবেদন দেখলেও সরাসরি তাদের কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি। এ দিকে ওষুধ কোম্পানিগুলো নতুন রেনিটিডিনের চালান না দিলেও পুরনো রেনিটিডিন ফেরত নিয়ে যায়নি। আর চাহিদা বেশি থাকায় দোকানগুলোতে সব সময় ব্যাপক পরিমাণ রেনিটিডিন রাখা হতো। সব মিলিয়ে ক্রেতাদের চাহিদানুসারে বাজারে থাকা রেনিটিডিনগুলো হরদম বিক্রি হচ্ছে।

ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের তথ্য অনুসারে, বাজারে নিবন্ধিত বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির ২২০ ধরনের রেনিটিডিন ওষুধ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন মাত্রার রেনিটিডিন ট্যাবলেট, সিরাপ ও ইনজেকশন। রেনিটিডিন প্রস্তুতকারী প্রায় প্রতিটি ফার্মা কোম্পানিরই বিভিন্ন মাত্রায় এই তিন ধরনের ওষুধই রয়েছে।

ক্রেতা থেকে শুরু করে ওষুধ প্রস্তুতকারী ও বিক্রেতারা পর্যন্ত সবাই জানেন ওষুধটি শরীরের জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ। কেননা মার্কিন ফুড ও ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) প্রতিবেদন অনুসারে রেনিটিডিনের কাঁচামালে এনডিএম (মেটালো বেটা ল্যাকটামেজ) ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

এটি সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা বলেন, এই ব্যাকটেরিয়া মানবদেহে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে থাকে। দূষিত বাতাস থেকে এটি মানবদেহে প্রবেশ করেই মারাত্মক ক্ষতি করে। সে ক্ষেত্রে যদি ওষুধের মাধ্যমে সরাসরি রক্তের সাথে মিশে যায়, তাহলে ক্যান্সারের ফ্যাক্টর বা সৃষ্টিকারী উপাদান হিসেবে কাজ করতে পারে।

http://bangla.amarhealth.com/healthcrime/13967/


মানসিক স্বাস্থ্য: উদ্ভাবনী ১০০ নারীর মধ্যে সায়মা ওয়াজেদ


স্বাস্থ্য ডেস্ক: ০৪ অক্টোবর’ ১৯: বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্যে উদ্ভাবনী ১০০ নারী নেতৃত্বের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদ।
সম্প্রতি নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটিভিত্তিক 'গ্লোবাল মেন্টাল প্রোগ্রামস কনসোর্টিয়ামে'র চেয়ার ড. ক্যাথলিন পাইক 'ফাইভ অন ফ্রাইডে' শিরোনামে এ তালিকা প্রকাশ করেন। মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর পরিচালিত 'ফাইভ অন ফ্রাইডে' মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসা, প্রতিরোধ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে নিবেদিত নারী নেতৃত্বের তালিকা তৈরি করে।
মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিয়ে এবং সামাজিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে নিবেদিতপ্রাণ সায়মা ওয়াজেদ বাংলাদেশ অটিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিসঅর্ডার বিষয়ক জাতীয় কমিটির চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
অটিজম শনাক্তকরণে ও আক্রান্তদের দুর্ভোগ হ্রাসে এবং সচেতনতা তৈরিতে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখায় সম্প্রতি তিনি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিয়োগ পান।
এ প্রতিষ্ঠানটি মূলত নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার (এনডিডি) এবং মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক অ্যাডভোকেসি, গবেষণা ও দক্ষতা বৃদ্ধির কাজে নিয়োজিত অলাভজনক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) অন্যতম ট্রাস্টি সায়মা।
http://bangla.amarhealth.com/goodnews/13965/

শুক্রবার, ১২ জুলাই, ২০১৯

যানজট ‘স্বাস্থ্যকথা’ | Traffic Jam- Health Message,Dr.Apurba Pandit

যানজট ‘স্বাস্থ্যকথা’ | Traffic Jam- Health Message.dr.apurba Pandit.amarhealth.com

সোমবার, ৩ জুন, ২০১৯

ভূত ।। BHOOT ।। GHOST।। ভূতেরাও ভয় পায় ।। ভূত বলতে কিছু নেই ।।

ভূতেরাও ভয় পায়।, ভূত বলতে কিছু নেই ভূত এক অশরীরী সত্তা যা ভয় দেখায় , জীবিত ব্যক্তির ঘাড় মটকায় এবং হত্যা করে ।কে এই ভূত! এর বাস্তব অস্তিত্ব কি আছে ? ভূতপূর্ব শব্দ থেকেই এসেছে বাংলা শব্দ ভূত। ভূত অনেক প্রকার- পেত্নী ,শাকচুন্নি , গেছো , মেছো ভূত, চোরাচুন্নি, নিশি, দেও, মামদো ভূত, আলেয়া, ডাইনী এরকম । ভূতে অবিশ্বাসীরা বলে ব্রেণে অক্সিজেনের ঘাটতি, হরমোনের অধিক্য কিংবা অত্যধিক মানসিক চাপ থেকে মুক্তির প্রত্যাশায় মানুষের অবচেতন মনে এরকম অনুভুতি হয়। ভূত দেখে। মনে করে তাকে চিবিয়ে খাবে। ভূতে ভয় পেলে পালস দ্রুত হয়, চোখ বড় হয়ে যায়, লোম দাড়িয়ে যায়। শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয়, পেরিফেরাল ব্লাড ভেসেলগুলো সংকুচিত হয়, সেন্ট্রাল ব্লাড ভেসেলস টু ভাইটাল অরগান প্রসারিত হয়, মাংসপেশিতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে ফলে মাংসপেশিগুলো প্রস্তুত হয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে। তাই ভূতে ভয় পাওয়া মানুষের চোখ বড় হয়ে যায়, শরীর শক্ত হয়ে আসে, ঘাম হয়। রাত গভীর না হলে ভূত দেখা দেয় না । দিনের বেলা ভূতেরা আসেনা । ভূতেরাও ভয় পায়। ভূত বলতে কিছু নেই।

https://youtu.be/mqM4avQN5gM

#ভূত #BHOOT #GHOST #FEAR #VUT #BHOOT FM #Paranormal_ Activities #amarhealth_com # ভূতের_ভয় #ডর #পিশাচ #পেত্নি #শাকচুন্নি #গেছো_ভূত #মেছো_ভূত #চোরাচুন্নি