সোমবার, ৩ জুন, ২০১৯

ভূত ।। BHOOT ।। GHOST।। ভূতেরাও ভয় পায় ।। ভূত বলতে কিছু নেই ।।

ভূতেরাও ভয় পায়।, ভূত বলতে কিছু নেই ভূত এক অশরীরী সত্তা যা ভয় দেখায় , জীবিত ব্যক্তির ঘাড় মটকায় এবং হত্যা করে ।কে এই ভূত! এর বাস্তব অস্তিত্ব কি আছে ? ভূতপূর্ব শব্দ থেকেই এসেছে বাংলা শব্দ ভূত। ভূত অনেক প্রকার- পেত্নী ,শাকচুন্নি , গেছো , মেছো ভূত, চোরাচুন্নি, নিশি, দেও, মামদো ভূত, আলেয়া, ডাইনী এরকম । ভূতে অবিশ্বাসীরা বলে ব্রেণে অক্সিজেনের ঘাটতি, হরমোনের অধিক্য কিংবা অত্যধিক মানসিক চাপ থেকে মুক্তির প্রত্যাশায় মানুষের অবচেতন মনে এরকম অনুভুতি হয়। ভূত দেখে। মনে করে তাকে চিবিয়ে খাবে। ভূতে ভয় পেলে পালস দ্রুত হয়, চোখ বড় হয়ে যায়, লোম দাড়িয়ে যায়। শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয়, পেরিফেরাল ব্লাড ভেসেলগুলো সংকুচিত হয়, সেন্ট্রাল ব্লাড ভেসেলস টু ভাইটাল অরগান প্রসারিত হয়, মাংসপেশিতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে ফলে মাংসপেশিগুলো প্রস্তুত হয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে। তাই ভূতে ভয় পাওয়া মানুষের চোখ বড় হয়ে যায়, শরীর শক্ত হয়ে আসে, ঘাম হয়। রাত গভীর না হলে ভূত দেখা দেয় না । দিনের বেলা ভূতেরা আসেনা । ভূতেরাও ভয় পায়। ভূত বলতে কিছু নেই।

https://youtu.be/mqM4avQN5gM

#ভূত #BHOOT #GHOST #FEAR #VUT #BHOOT FM #Paranormal_ Activities #amarhealth_com # ভূতের_ভয় #ডর #পিশাচ #পেত্নি #শাকচুন্নি #গেছো_ভূত #মেছো_ভূত #চোরাচুন্নি

রবিবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১৮

শনিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৮

মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৭

শনিবার, ৫ জুন, ২০১০

স্বাস্থ্যনীতিতে প্রাথমিক ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপদ মাতৃত্বকে গুরুত্ব দিন গোলটেবিল বৈঠক

৫ জুন (আমারহেলথ): স্বাস্থ্যনীতিতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপদ মাতৃত্বকে গুরুত্ব দিতে হবে সবচেয়ে বেশি। পাশাপাশি এখাতে অর্থায়নও বাড়াতে হবে সন্তোষজনকহারে। স্বাস্থ্যব্যবস্থার মানোন্নয়নে দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে আড়াই হাজার ডাক্তার নিয়োগ দিয়েছে সরকার। কিন্তু ডাক্তাররা আদৌ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে যোগদান করবেন কিনা এ ব্যাপারে সন্দেহ রয়েছে।
শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ চিকিৎসক সংসদ আয়োজিত ‘বিদ্যমান স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও খসড়া স্বাস্থ্যণীতি’-শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আমরা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বর্তমান সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা ইতোমধ্যে শুরু করেছি। একইসাথে মন্ত্রণালয় কর্তৃক উপস্থাপিত চূড়ান্ত খসড়া স্বাস্থ্যনীতির পর্যালোচনা করতে আমরা ইচ্ছুক।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, মহাজোটের শরিকদের সাথে আলোচনা না করে যে খসড়া স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন করা হয়েছে তার দায়-দায়িত্ব আমরা নেব না।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক রশীদ-ই-মাহবুব বলেন, আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে কার্যসূচী বাড়ানো দরকার। তবেই আসচে চূড়ান্ত স্বাস্থ্যণীতি কার্যকর করা সম্ভব হবে।
অন্যান্যের মধ্যে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির প্রধান রাশেদ খান মেনন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ প্রমুখ। গোলটেবিল বৈঠকে জাতীয় স্বাস্থ্যণীতি ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পর্কিত ৪০টি প্রস্তাব ঊত্থাপন করা হয়।