মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৯

Yoga teachers 'risking serious hip problems'



Health Desk- 06 Nov 2019: Yoga's popularity does not look like it will wane any time soon. Its physical benefits for flexibility and balance, as well as its spiritual connection, mean it's practised by millions across the world.
And that means a need for more and more yoga teachers.
But now, there is a warning they may be putting their own hip health at risk.
Benoy Matthews, a leading UK-based physiotherapist, warns he is seeing increasing numbers of yoga teachers with serious hip problems - many of whom require surgery - because they are pushing their bodies too hard.
Mr Matthews, a specialist hip and knee physiotherapist and member of the Chartered Society of Physiotherapists, says he sees four to five yoga teachers a month.
He says the problem lies in people repeatedly pushing their bodies into "prescribed" positions, when their physiology prevents it.
About half of the teachers he sees simply need advice on how to moderate the "prescribed" yoga positions, so as not to put too much stress on their joints.
But those with more advanced problems need medical treatment and surgery - including total hip replacements.
Courtesy: BBC Health
http://amarhealth.com/health/4614/Yogateachersriskingserioushipproblems

Dhaka ranks fourth worst in Air Quality Index




Health Desk- Nov 05, 2019: Bangladesh’s capital Dhaka was ranked fourth worst in Air Quality Index (AQI) on Tuesday morning, reports UNB.
Dhaka had a score of 169 at 9:11 am, which means the city’s air quality was classified as unhealthy.
India’s Delhi and Pakistan’s Lahore were at the top two cities of the list with scores of 345 and 210 respectively while India’s Kolkata ranked third worst city with score of 174.
When the AQI value is between 151 and 200, every city dweller may begin to experience health effects. Members of sensitive groups may experience more serious health effects in this situation.
Active children and adults, and people with respiratory disease, such as asthma, are advised to avoid prolonged outdoor exertion.
The air quality is categorised as good when AQI score remains between 0-50 while the air is moderate when AQI is 51 to 100 but when AQI is in between 101 and 150, it is classified as unhealthy for sensitive groups.
The AQI, an index for reporting daily air quality, tells people how clean or polluted the air of a certain city is, and what associated health effects might be a concern for them.
Mentionable, Bangladesh’s overcrowded capital has been grappling with air pollution for a long time. The quality usually improves during monsoon.

‘স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন-২০১৮’ নিয়ে এফডিএসআর’র জরুরী সভা অনুষ্ঠিত



স্বাস্থ্য ডেস্ক- ০৫ নভেম্বর, ২০১৯: ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি অ্যান্ড রাইটস (এফডিএসআর) এর কেন্দ্রীয় কার্যকরী সদস্যদের উপস্থিতিতে ‘স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন ২০১৮’ নিয়ে এক জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ নভেম্বর রোববার অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রস্তাবিত স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন ২০১৮ এর প্রতিটি ধারার অসঙ্গতি নিয়ে উপদেষ্টা ডাক্তার আব্দুন নূর তুষার বিস্তারিত আলোচনা করেন। অধ্যাপক ডাক্তার নোমান চৌধুরী তার বিশ্লেষণ তুলে ধরেন।
সভায় উপস্থিত সদস্যগণ তাদের মতামত প্রদান করেন এবং সর্বসম্মতিক্রমে নিম্নলিখিত সিদ্ধান্ত সমূহ গৃহীত হয়।
সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত:-
১। প্রস্তাবিত স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন ২০১৮ অসঙ্গতিপূর্ণ ও ভুলে ভরপুর। চিকিৎসকদের স্বার্থ ও নিরাপত্তা রক্ষার বিষয়ে এটা পরিপূর্ণ আইন নয়। পাশাপাশি এই আইন রোগী সুরক্ষার বিষয়ের সকল দিক ও পরিপূর্ণভাবে পূরণ করে না বিধায় একটি বিকল্প ” চিকিৎসক সুরক্ষা আইন” প্রস্তাবনার ও প্রণয়নের দাবী উত্থাপন এর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
২। এফ ডি এস আর এর পক্ষ হতে একটি বিকল্প চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে ৬ সদস্য বিশিষ্ট উপ কমিটি গঠন করে সম্ভাব্য স্বল্পতম সময়ে এই কমিটিকে একটি যুগোপযোগী “চিকিৎসক সুরক্ষা আইন” প্রস্তাবিত আকারে প্রদানের দায়িত্ব প্রদান করা হয় ।
৩। “চিকিৎসক সুরক্ষা আইন” প্রস্তাবনা প্রণয়ন কমিটি। ডাক্তার আব্দুন নূর তুষার, অধ্যাপক আবুল হাসনাৎ মিল্টন, প্রফেসর ডাক্তার নোমান চৌধুরী, শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডাক্তার ফরহাদ মঞ্জুর ও ডাক্তার মো রাশিদুল হক।
৪। সভায় আগামী ১০ দিনের মধ্যে প্রস্তাবিত স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন ২০১৮ আইন নিয়ে বিভিন্ন অংশীদারগণ বিপিএম পি এ/ বি এম এ / স্বাচিপ /সাংবাদিক/ বিএফইউজে/ রিপোর্টার্স ইউনিটি/ বেসরকারি ডায়াগনস্টিক মালিক সমিতি/ বেসরকারি ক্লিনিক মালিক সমিতি/ কনজিউমার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ/ ডিপ্লোমা নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন/ এর অংশ গ্রহণে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
৫। সভায় উপদেষ্টা ডা. আব্দুন নুর তুষার ও অধ্যাপক আবুল হাসানাৎ মিল্টন প্রস্তাবিত স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন ২০১৮ আইনের বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরে জাতীয় দৈনিকে কলাম লিখবেন এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
৬। সম্ভাব্য স্বল্পতম সময়ে আলাদাভাবে এফডিএসআর এর প্রতিনিধিগন ইচিপ এর সাথে চিকিৎসা সুরক্ষা আইন নিয়ে মত বিনিময় করবেন এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সোমবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৯

Ebola: Attackers kill DR Congo journalist shining light on virus



Health Desk- 04 Nov 2019: A Congolese journalist who had been raising awareness about the Ebola virus in the Democratic Republic of Congo has been killed at his home.
The army said unidentified attackers raided Papy Mumbere Mahamba's home in Lwebma, in the north-eastern province of Ituri, killing him, wounding his wife and burning their house down.
DR Congo is experiencing the world's second-worst Ebola epidemic on record.
People working to stop the virus are often targeted.
The BBC World Service's Africa editor Will Ross says over the past year there have been dozens of attacks on health centres and on people working to stop Ebola.
The violence is thought to be fuelled by the belief among many people that the virus is not real, which can lead to mistrust of those working in the sector.
When medics call for people to forgo traditional rites to ensure safe burials, for example, it can create animosity. Some people even feel Ebola is a hoax created by medics to get well-paid jobs.

Courtesy: BBC Health

রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৯

দেরিতে ডায়াগনসিসে লিভার ক্যানসারে মৃত্যুর হার ৮০ শতাংশ



স্বাস্থ্য ডেস্ক: ০৪ নভেম্বর ২০১৯: দেরিতে ডায়াগনসিস করায় লিভার ক্যানসারে মৃত্যুর হার বেড়েছে ৮০ শতাংশ। মাত্র দুই যুগেই এই হার দ্বিগুণ হয়েছে।
এক চতুর্থাংশ ব্যক্তির লিভার ক্যানসার হওয়ার কারণ অবেসিটি বা অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়া। এক পঞ্চমাংশের টিউমার হওয়ার কারণ ধূমপান।
যুক্তরাজ্যের একটি ক্যানসার গবেষণা চ্যারিটি সংস্থা ‘ক্যান্সার রিসার্চ ইউকে’ (সিআরইউকে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়।
এতে দেখা যায়, ২০১৭ সালে ব্রিটেনের পাঁচ হাজার সাতশ’ মানুষ লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এক যুগ আগেও সংখ্যাটি ছিল তিন হাজার দুইশ’। অর্থাৎ ২০১৭ সালের লিভার ক্যানসারে মৃত্যুর হার বেড়েছে ৭৮ শতাংশ।
প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়, এসব কেসের অর্ধেক রোগীই দ্রুত ডায়াগনসিস করলে সুস্থ হয়ে যেতেন।
সিআরইউকে’র লিভার ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ও নিউ ক্যাসল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর হেলেন রিভস বলেন, দুর্ভাগ্যবশত লিভার ক্যানসার চিকিৎসার অগ্রগতি খুব ধীর। রোগীদের জন্য আমাদের আরও সুযোগ তৈরি করতে হবে। আরেকটি সমস্যা হচ্ছে, লিভার ক্যানসারাক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তার মানে, এই রোগে আমরা আরও বেশি মানুষ হারাচ্ছি।
অবেসেটি এবং ডায়াবেটিস ও নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার সংক্রান্ত সমস্যা বাড়ায় লিভার ক্যানসারও বাড়ছে বলে জানান তিনি।
পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ডের এক পরিসংখ্যানের দেখা যায়, গত ১৯ বছরে এসব সমস্যায় মৃত্যুর হার তিনগুণ বেড়েছে।
ইংল্যান্ডে ১৯৯৭ সালে পুরুষদের মধ্যে হেপাটোসেলুলার সারসিনোমায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার ছিল প্রতি এক লাখে এক দশমিক ৯৩ জন। এটা ২০১৬ সালে হয়েছে পাঁচ দশমিক ৯৭ জন।
নারীদের ক্ষেত্রে দুই যুগে এ রোগে মৃত্যুর হার প্রতি লাখে শূন্য দশমিক ৫১ জন থেকে বেড়ে হয়েছে এক দশমিক চার জন।
লিভার ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর আরও অন্তত পাঁচ বছর বাঁচার হার মাত্র ছয় শতাংশ।
এটা সারানো বেশ কঠিন কারণ রোগ সহজে ধরা পড়তে চায় না। বেশিরভাগ সময়ই একদম শেষ স্টেজে গিয়ে রোগের লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।
লিভার ক্যানসারের বেশকিছু সাধারণ লক্ষণ হচ্ছে: অবসাদ, ক্লান্তি, দুর্বলতা, ক্ষুধা না লাগা, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া, হঠাৎ ওজন অনেক কমে যাওয়া, লিভারের আশে পাশে অস্বস্তি বা ব্যথা, শরীর চুলকানো, রক্তের শিরা-উপশিরা চোখে পড়ার মতো স্পষ্ট হয়ে ওঠা (অনেকটা মাকড়সার জালের মতো), লিভার বড় হয়ে যাওয়া, গাঢ় রঙের প্রস্রাব ও ধূসর রঙের মল হওয়া, যৌন চাহিদা কমে যাওয়া, ইত্যাদি।
সিআরইউকে’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিশেল মিচেল বলেন, লিভার ক্যানসারে মৃত্যুর হার আশংকাজনকভাবে বাড়ছে। ক্যান্সার ঝুঁকি কমানোর জন্য আমরা সবাই নিজেদের জীবনে কিছু পরিবর্তন আনতে পারি। যেমন- ওজন ঠিক রাখা, ধূমপান বন্ধ করা, মদ পান না করা।

নেপালে পাহাড়ি নদীতে বাস পড়ে নিহত ১৭



স্বাস্থ্য ডেস্ক: ০৪ নভেম্বর ২০১৯: নেপালে পাহাড়ি রাস্তায় চলার পথে সাঙ্কোসি নদীতে যাত্রীবাহী বাস পড়ে ৭ শিশুসহ অন্তত ১৭ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এ ঘটনায় অর্ধশতাধিক আরোহী আহত হয়েছেন।
সোমবার দেশটির পুলিশের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর দিয়েছে।
রোববার বাসটি সিন্ধুপালচৌক জেলা থেকে রাজধানী কাঠমান্ডু আসার পথে নিয়ন্ত্রণ হারালে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে। বাসটি রাস্তা থেকে প্রায় ২০ মিটার (৭০ ফুট) নিচের নদীতে পড়ে তলিয়ে যায়।
জেলার কর্মকর্তা গোমা দেবি সেমজং এর বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা এএফপি জানায়, যাত্রীতে পরিপূর্ণ বাসটি পাহাড়ি রাস্তায় চলার পথে সিটকে নদীতে পড়ে যায়। এতে ১৭ জনের প্রাণহানি হয়। এ সময় চালকসহ আহত হন আরও প্রায় ৫০ জন। আহতদের চিকিৎসা চলছে।
দুর্ঘটনার কবলে পড়া বাসটির আরও কয়েকজন যাত্রী নদীতে নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গোমা দেবি চেমজং বলেন, কতজন নিখোঁজ রয়েছে তা এখনও নিশ্চিত নয় কেননা বাসটিতে কতজন যাত্রী ছিল তার কোনও রেকর্ড নেই।
উল্লেখ্য, প্রতি বছর পাহাড়ি এ দেশটিতে প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে এবং বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে। গত মাসেও নদীতে একটি বাস ডুবে ১১ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হন।

চোখ সুস্থ রাখার ব্যায়াম




স্বাস্থ্য ডেস্ক: ০৪ নভেম্বর ২০১৯: আমাদের অনেকেরই হয়ত জানা নেই যে, চোখ সুস্থ রাখার জন্য আলাদা ব্যায়াম রয়েছে। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন তিনটি ব্যায়াম তুলে ধরা হলো এই লেখায়।
প্রতিদিন এই সহজ ৩টি ব্যায়াম আপনার চোখের স্ট্রেস দূর করবে চমৎকার ভাবে।
সারাক্ষণ স্মার্টফোন, কম্পিউটার, টিভি ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার কারণে আমাদের চোখে অনেক প্রেসার পড়ে। তাই এই ব্যায়ামগুলো করা খুব জরুরি।
চোখ বন্ধ করে
চোখ বন্ধ করে আঙ্গুলের সাহায্যে করুন এই ব্যায়ামটি। এজন্য
১. চোখ বন্ধ করুন
২. চোখের পাতার উপর এক জোড়া করে আঙ্গুল রাখুন
৩. এরপর ২ সেকেন্ডের জন্য হালকা চাপ দিন
৪.  এভাবে ৫ থেকে ১০ বার করুন
৫. ব্যায়াম শেষে ধীরে চোখ খুলুন যাতে আপনার চোখ বাইরের আলোর সাথে সহজে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।
চোখ ঘোরান
চোখের যত্নে চোখ ঘোরানো ব্যায়াম করুন। এজন্য যা করতে হবে-
১. বাম দিক থেকে চোখের মণি রাউন্ড করে ঘুরে আবার বামে আনুন
২. এভাবে ৫ থেকে ১০ বার করুন
৩. এবার বিপরীত দিকে অর্থাৎ ডান দিকে ঘোরান
৪. এভাবে ৫ থেকে ১০ বার করুন
পাশে তাকান
আমরা আমাদের চোখের কোন দিয়ে বা আড়চোখে আশপাশের মানুষের দিকে হরহামেশাই তাকাই। এটাই করুন চোখের ব্যায়ামের জন্য। মাথা না নাড়িয়ে করুন এই ব্যায়ামটি-
১. এই ব্যায়ামটির জন্য প্রথমে সোজা হয়ে বসুন বা দাঁড়ান
২. যতদূর সম্ভব সামনের দিকে দেখার চেষ্টা করুন (চোখের ওপর প্রেশার না দিয়ে)
৩. এভাবে ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড দৃষ্টি অনড় রাখুন
৪. এবার মাথা না নাড়িয়ে বামে তাকান, সর্বোচ্চ যতটা বামে তাকানো সম্ভব
৫. অপেক্ষা করুন ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড
৬.  একইভাবে ডানে তাকান
 ৭. আবার ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন।
৮. অন্তত ১০ বার করুন ব্যায়ামটি।